প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনে বাদ দেওয়ার অভিযোগ, নীতিমালা চায় ছাত্রশিবির
Published : ১০:৩৫, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের ভেরিফিকেশনের পর নিয়োগপত্র না দেওয়ার অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। একই সঙ্গে ভেরিফিকেশনের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন, মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে প্রার্থী বাদ দেওয়ার অভিযোগ বন্ধের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে ভেরিফিকেশন শেষে বিভিন্ন জেলার বহু সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি। প্রার্থীদের আন্দোলনকারী প্ল্যাটফর্মের তথ্য অনুযায়ী, ১২ শতাধিক প্রার্থী নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। একই ধরনের অভিযোগ নিয়ে প্রার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ক্ষোভ প্রকাশের খবর এসেছে।
ছাত্রশিবির নেতাদের ভাষ্য, বাদ পড়া অনেক প্রার্থীর দাবি—তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অপরাধের রেকর্ড নেই এবং নিয়োগ না দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণও জানানো হয়নি।
তারা আরও অভিযোগ করেন, ভেরিফিকেশনের সময় কোনো প্রার্থীর পরিবারের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাকে বিবেচনায় নিয়ে বাদ দেওয়ার ঘটনা ঘটে থাকলে তা উদ্বেগজনক। তাদের মতে, সরকারি চাকরিতে সুযোগের ক্ষেত্রে নাগরিকদের সমতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
ছাত্রশিবির নেতারা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিচার বিভাগ ও মাঠ প্রশাসনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের অভিযোগের অবসান ঘটিয়ে সরকারি চাকরিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য তারা অবিলম্বে সুনির্দিষ্ট ও জনসমক্ষে স্পষ্ট ভেরিফিকেশন নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানান।
উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে নির্বাচিতদের নিয়োগপত্র ও পদায়ন আদেশ জারির প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়।
































