প্রযুক্তি খাতে বছরে ২ লাখ নতুন চাকরি, জ্বালানি অনুসন্ধানে বাপেক্সের ৬৯ কূপ খননের পরিকল্পনা

প্রযুক্তি খাতে বছরে ২ লাখ নতুন চাকরি, জ্বালানি অনুসন্ধানে বাপেক্সের ৬৯ কূপ খননের পরিকল্পনা ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ২১:০৮, ১২ জুন ২০২৬

প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব উদ্যোগের কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, অটোমেশন ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রযুক্তি খাতে প্রতি বছর **২ লাখ নতুন কর্মসংস্থান** সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকে ফ্রিল্যান্সিং এবং সৃজনশীল খাতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরও **৮ লাখ পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

এ লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং, মোবাইল সার্ভিসিং, কেয়ারগিভিং এবং বিদেশি ভাষা প্রশিক্ষণভিত্তিক বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। দক্ষ ও কর্মমুখী জনশক্তি গড়ে তুলতে সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)-এর মাধ্যমে ৬৯টি নতুন কূপ খনন এবং ৩১টি কূপের ওয়ার্কওভার সম্পন্ন করার পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, ২০২৫-২৬ থেকে ২০২৭-২৮ সময়কালে ২৭০ কিলোমিটার ভূতাত্ত্বিক জরিপ, ৭০০ লাইন কিলোমিটার টু-ডি (2D) এবং ৭০০ বর্গকিলোমিটার থ্রি-ডি (3D) সাইসমিক জরিপ পরিচালনা করা হবে।

সমুদ্রাঞ্চলে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করতে নতুন করে বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড”** ঘোষণা করা হয়েছে। এ উদ্যোগের আওতায় অগভীর সমুদ্রে ৯টি এবং গভীর সমুদ্রে ১৫টি ব্লক আন্তর্জাতিক তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলোর জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

সরকার দেশের স্বার্থ সংরক্ষণ করে উৎপাদন-বণ্টন চুক্তি (PSC) সংশোধনের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের পদক্ষেপ নিয়েছে। পাশাপাশি বাপেক্সের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য দুটি নতুন অনুসন্ধান রিগ ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রচলিত জ্বালানি সম্পদের পাশাপাশি অফশোর গ্যাস এবং অপ্রচলিত হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধানেও সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ জন্য ‘ক্রিটিক্যাল মিনারেল এক্সপ্লোরেশন’ উদ্যোগের আওতায় নতুন অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement