শহীদ জিয়ার বন্ড সুবিধা নীতির সম্প্রসারণ, রপ্তানি খাতে নতুন সুযোগের ঘোষণা
Published : ২২:৫২, ১২ জুন ২০২৬
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্প বিকাশে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেওয়া উদ্যোগগুলো আজও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমানই প্রথম দেশে তৈরি পোশাক শিল্পে কাস্টমস বন্ড সুবিধা এবং ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি ব্যবস্থার মাধ্যমে শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানির সুযোগ চালু করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, তৈরি পোশাক খাতের দ্রুত বিকাশে বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থা যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করলেও অন্যান্য সম্ভাবনাময় রপ্তানিমুখী শিল্প নানা কারণে এই সুবিধার পূর্ণ সুফল নিতে পারেনি। এ বাস্তবতায় সরকার বিদ্যমান বন্ড সংক্রান্ত বিধি-বিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে।
অর্থমন্ত্রীর মতে, নতুন প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে তৈরি পোশাক শিল্পের পাশাপাশি অন্যান্য রপ্তানিমুখী খাতও সহজে কাঁচামাল আমদানি ও প্রস্তুত পণ্য রপ্তানির সুযোগ পাবে, যা রপ্তানি বহুমুখীকরণে সহায়ক হবে।
ব্যবসা সহজীকরণের অংশ হিসেবে শতভাগ রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রতি বছর বাধ্যতামূলক বন্ড অডিটের বিধান বাতিলের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, তৈরি পোশাক শিল্পের মতো শতভাগ রপ্তানিমুখী লেদারগুডস, ফুটওয়্যার, টাওয়েল, লিনেন ও হোম টেক্সটাইল শিল্প প্রতিষ্ঠানের জেনারেল বন্ডের মেয়াদ এক বছরের পরিবর্তে তিন বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সরকারের প্রত্যাশা, এসব উদ্যোগ রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াবে, বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে নতুন গতি সঞ্চার করবে।































