সৌদিতে সেনা মোতায়েনের অনুমতি চাইবে তুরস্ক, পার্লামেন্টে উঠছে প্রস্তাব
Published : ১২:১৪, ২২ অক্টোবর ২০২৬
সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবে সামরিক সদস্য মোতায়েনের অনুমতি চাইবে তুরস্ক। এ লক্ষ্যে দেশটির পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন একে পার্টির এক আইনপ্রণেতা। বুধবার (২১ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি এ তথ্য জানান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই আইনপ্রণেতা বলেন, যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদনের বিল পাস হওয়ার পর সেনা মোতায়েনের অনুমতি চেয়ে প্রস্তাবটি পার্লামেন্টে পাঠানো হবে।
গত আগস্টে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিটি অনুমোদনের জন্য মঙ্গলবার তুরস্কের পার্লামেন্টে জমা দেওয়া হয়েছে। হুথিদের হামলার মুখে সৌদি আরবের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার দিকে এটি তুরস্কের আরও একটি পদক্ষেপ। তুরস্কের সামরিক বাহিনী ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম বাহিনী হিসেবে পরিচিত।
একে পার্টির ওই আইনপ্রণেতা জানান, চুক্তির আওতায় অন্য দেশে মোতায়েন করা তুর্কি সেনারা কোনো আক্রমণাত্মক অভিযানে অংশ নেবেন না। প্রাথমিক পর্যায়ে আকাশ প্রতিরক্ষা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষামূলক সহায়তা দিতে কারিগরি কর্মী ও বিশেষজ্ঞদের পাঠানো হবে।
এর আগে দুই কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন, এই জোটে তুরস্কের অবদান সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং অস্ত্রব্যবস্থার সহযোগিতার মধ্যে সীমিত থাকতে পারে। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত জোটের আওতায় অন্য কোনো ধরনের সেনা মোতায়েন করা হয়নি।
হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়ে তুরস্ক লোহিত সাগরে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন একটি জোটে যোগ দিতেও সম্মত হয়েছে।
































