ভারতে শেখ হাসিনার গণমাধ্যমে অংশগ্রহণে বাংলাদেশের ক্ষোভ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা

ভারতে শেখ হাসিনার গণমাধ্যমে অংশগ্রহণে বাংলাদেশের ক্ষোভ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ০১:৩৩, ৬ আগস্ট ২০২৬

ঢাকা, ৬ আগস্ট: ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ দেওয়ায় গভীর ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার।
বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সরকার জানায়, অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও জনগণ সম্পর্কে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন, যা বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের আয়োজন দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে—এ বিষয়ে আগেই ভারত সরকারকে উদ্বেগ জানানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হওয়ায় বাংলাদেশ গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে।
সরকার আরও উল্লেখ করে, জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালনের দিনে ভারতের মাটিতে এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় আবেগের প্রতি অসম্মানজনক বলে বিবেচিত হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঘটনাবলি নিয়ে জাতিসংঘের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণে উঠে আসা বিষয়গুলো অস্বীকারের প্রচেষ্টা ইতিহাসের বাস্তবতাকে পরিবর্তন করতে পারবে না।
বাংলাদেশ সরকার পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, দেশের জনগণ আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও জাতীয় মর্যাদা সমুন্নত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
একই সঙ্গে সরকার জানায়, বাংলাদেশ সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক ও ভবিষ্যতমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০১৩ সালের বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর জন্য বাংলাদেশ একাধিকবার অনুরোধ জানালেও এ বিষয়ে এখনো ভারতের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সাড়া পাওয়া যায়নি।
 

 
শেয়ার করুনঃ
Advertisement