জাপান সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান

জাপান সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান ছবি: বিজনেস ডেইলি গ্রাফিক্স

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১০:৪২, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা প্রাধান্য পাবে। পাশাপাশি চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাস্তবায়নের বিষয়টিও গুরুত্ব পেতে পারে।

সফরসূচি অনুযায়ী, ২৪ অক্টোবর দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে টোকিওর পথে যাত্রা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সফরের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর। ওই দিন জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন তারেক রহমান। এ ছাড়া জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি জাপানের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন তিনি।

সফরের অংশ হিসেবে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা), জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো), জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি) এবং সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাব্য কর্মসূচি রয়েছে। এসব আলোচনায় উন্নয়ন সহযোগিতা, বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

এ ছাড়া জাপানের জ্বালানি ও শিল্প খাতের কার্যক্রম সরেজমিনে দেখতে এলএনজি টার্মিনাল, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ইউনিক্লোর সদরদপ্তর এবং টয়োটার কারখানা পরিদর্শনের পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও উৎপাদন খাতে জাপানি অভিজ্ঞতা এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হতে পারে।

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানো, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন দ্রুত করার বিষয়গুলো সফরের আলোচ্যসূচিতে থাকতে পারে। একই সঙ্গে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকর করার বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়ামের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কৃষি, মৎস্য, দক্ষতা উন্নয়ন, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকারব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর কিংবা সহযোগিতার নতুন ঘোষণা আসতে পারে।

দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement