বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নয়
Published : ১৪:১৪, ১০ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান অলি আহমাদের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে ১১ দলীয় জোট। সোমবার সকালে জোটটির একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে নির্বাচনী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার হলে অলি আহমাদ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হতে পারতেন। তাঁর মতে, অলি আহমাদের মতো একজন দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তির রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল।
হামিদুর রহমান আযাদ অভিযোগ করেন, বিএনপির দ্বিচারিতা এবং সংস্কারের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাবের অভাবের কারণে জাতি একজন যোগ্য ব্যক্তির সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা থাকার পরও ১১ দলীয় জোট কেন প্রার্থী দিয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাঁদের কাছে জয়-পরাজয়ের চেয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি পদ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ একটি পদ। এ পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন হলে গণতান্ত্রিক চর্চা বাধাগ্রস্ত হয়। তাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ধারাকে সামনে এগিয়ে নিতে অলি আহমাদকে প্রার্থী করা হয়েছে।
হামিদুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি রাষ্ট্র ও জনগণের সঙ্গে দ্বিচারিতা করেছে এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেনি। তাঁর দাবি, গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কারের বিষয়টি সামনে আসত।
সংসদ সদস্যদের ভোটাধিকার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জামায়াতের এই নেতা। তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকা প্রয়োজন। তাঁদের ভোটাধিকার নিয়ন্ত্রিত থাকলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটে না।
হামিদুর রহমানের ভাষ্য, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও সঠিক গণতান্ত্রিক চর্চার প্রতিফলন ঘটত।


































