ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চাইল প্রসিকিউশন
Published : ১৫:০৯, ১২ আগস্ট ২০২৬
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ মামলাটির ষষ্ঠ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তিতর্ক শেষ করেন চিফ প্রসিকিউটর। এ সময় তিনি আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানান।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মামলার সব আসামির ব্যক্তিগত দায় রয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের ওপর ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’ও বর্তায়।
তাঁর অভিযোগ, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় অপরাধ ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদের সরাসরি মানুষ হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এসব নির্দেশের সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন বলেও দাবি করেন প্রসিকিউটর।
মামলার অপর আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান এবং নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ।
মামলার সব আসামিই বর্তমানে পলাতক।
যুক্তিতর্কে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তাঁরা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর দাবি, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হাজারো মানুষ নিহত এবং প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ গুরুতর আহত হওয়ার জন্য আসামিরা দায়ী।
তিনি বলেন, আসামিদের অপরাধ অত্যন্ত গুরুতর এবং তাঁরা কোনো ধরনের অনুকম্পা পাওয়ার যোগ্য নন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে কেউ যেন জনগণের ম্যান্ডেটের দোহাই দিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালাতে না পারেন, সে বার্তাও দিতে হবে।
































