বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬-এর জমকালো সমাপনী

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬-এর জমকালো সমাপনী

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ২০:০৮, ২৮ আগস্ট ২০২৬

রাজধানীর বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে পর্দা নামল উপমহাদেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬’-এর।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে অনুষ্ঠিত ফাইনালে মিশরের জিয়াদ ইব্রাহিম শ্রীলঙ্কার রভিন্দ্র লক্ষীশ্রীকে ৩-০ সেটে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

গত ২৪ আগস্ট শুরু হওয়া পাঁচ দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে বিশ্বের ১১টি দেশের শীর্ষস্থানীয় পেশাদার স্কোয়াশ খেলোয়াড়রা অংশ নেন। ফাইনালে বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৪৪তম স্থানে থাকা জিয়াদ ইব্রাহিম ও ১৬৪তম স্থানে থাকা রভিন্দ্র লক্ষীশ্রীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল টুর্নামেন্টের অন্যতম আকর্ষণ।

সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি, মেডেল ও অর্থ পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ মেজর জেনারেল মু. হাসান-উজ-জামান, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন টুর্নামেন্ট প্রমোটর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জি এম কামরুল ইসলাম, এসপিপি (অবসরপ্রাপ্ত), নির্বাহী কমিটির সদস্যরা, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির ঊর্ধ্বতন নির্বাহী পরিচালক কর্নেল মহাসিনুল করিমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, আমন্ত্রিত অতিথি, দেশি-বিদেশি খেলোয়াড় এবং সাংবাদিকরা।

সমাপনী অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘স্কোয়াশ ও শিক্ষা বৃত্তি’ প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে এ বছর মাধ্যমিক পর্যায়ে কৃতিত্ব অর্জনকারী স্কোয়াশ খেলোয়াড়দের সম্মাননা এবং ক্ষুদে স্কোয়াশ খেলোয়াড়দের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

পুরস্কার বিতরণী পর্বে বাংলাদেশের উদীয়মান খেলোয়াড় পারভেজ করিমকে বিশেষভাবে সম্মাননা দেওয়া হয়। এরপর দ্বিতীয় রানার্সআপ মিশরের মোহাম্মদ গহর, প্রথম রানার্সআপ ইরানের সেফের এতেমাদপুর, রানার্সআপ রভিন্দ্র লক্ষীশ্রী এবং চ্যাম্পিয়ন জিয়াদ ইব্রাহিমের হাতে ট্রফি, মেডেল ও প্রাইজমানি তুলে দেওয়া হয়।

আয়োজকরা জানান, ‘ক্লাসরুম স্কোয়াশ’, খেলাধুলার মাধ্যমে নেতৃত্বের বিকাশ এবং ‘স্কোয়াশ ও শিক্ষা বৃত্তি’র মতো ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে স্কোয়াশের প্রসারে কাজ করা হচ্ছে। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক এই আয়োজন দেশের খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও র‍্যাঙ্কিং উন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের স্কোয়াশ আয়োজনের সক্ষমতাও তুলে ধরেছে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে স্কোয়াশের কার্যক্রম ও অংশগ্রহণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদেশি খেলোয়াড়রা সাফল্য অর্জন করতে শুরু করেছেন।

২০৩২ সালের অলিম্পিকে স্কোয়াশের অংশগ্রহণকে সামনে রেখে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, খেলোয়াড় তৈরির কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

 
শেয়ার করুনঃ
Advertisement