বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী
Published : ১৫:৩৭, ৮ আগস্ট ২০২৬
বাজারে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, এসব সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষকদের লাভবান করতে সরকার কাজ করছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করা হবে। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। সুতরাং যারা মজুতদারি করবেন, তারা ভেবেচিন্তে করবেন।’
আজ ঝিনাইদহের শৈলকূপায় পাট ও পেঁয়াজের পাইকারি হাট ও আড়ত পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
কৃষকদের ন্যায্য দাম না পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কৃষকরা ঘাম ঝরিয়ে ফসল ফলিয়েও ন্যায্য দাম পান না। বাজারে আসার পর তারা সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েন।’
তিনি বলেন, ‘এক মণ পাট বা পেঁয়াজে অতিরিক্ত দুই কেজি করে তোলা দিতে হতো। এর পর আবার বাজারের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও হিজড়া সম্প্রদায়ের সদস্যদেরও কৃষকদের কাছ থেকে তোলা দিতে হয়। ফলে দেখা গেছে, এক মণে কৃষককে ৪৫ কেজি পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ অন্যায্য।’
বাজারের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বাজারের এই সিন্ডিকেট ভেঙে দেব। এরই মধ্যে দেশের সব হাট ও বাজারে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘন করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেসব ব্যবসায়ী তোলা না পেলে মালামাল কিনবেন না বলে হুমকি দিচ্ছেন, তাদের বলব—বাজার ছেড়ে চলে যান। বিকল্প ব্যবসায়ী এমনিতেই তৈরি হয়ে যাবে।’
বাজার পরিদর্শনকালে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

































