প্রাথমিকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিশ্চিতের ঘোষণা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর
Published : ১৯:২৪, ২২ জুন ২০২৬
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, ২০২৮ সালের পর দেশের কোনো প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষে অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক পাঠদান করতে পারবেন না। সরকারি, বেসরকারি, কিন্ডারগার্টেন এবং ইংরেজি মাধ্যমসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এই নীতি সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।
সোমবার (২২ জুন) রাজধানীর বসুন্ধরায় ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত ‘আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট নীতিমালা’ বিষয়ক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আইইউবি ও বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্ক।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার গুণগত উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক, সময়োপযোগী পাঠ্যক্রম এবং শিশুদের উপযোগী আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে শিশুদের রাখতে হবে এবং শেখার প্রক্রিয়াকে তাদের জন্য আনন্দদায়ক করে তুলতে হবে।
তিনি জানান, আগামী এক বছরের মধ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম পুনর্বিন্যাসের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। একইসঙ্গে শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, আর্থিক, সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত না হলে শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত মান অর্জন করা সম্ভব নয়।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে (এনসিটিবি) পেশাগতভাবে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দেন প্রতিমন্ত্রী।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে ধাপে ধাপে এক শিফটে পরিচালনার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, দুই শিফট ব্যবস্থার কারণে অনেক শিক্ষার্থী পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ পাচ্ছে না। এ কারণে পর্যায়ক্রমে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ‘ওয়ান-শিফট’ ব্যবস্থায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক এম তামিম। এতে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ, আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
































