নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী

নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১৫:৫১, ১৬ আগস্ট ২০২৬

নারীদের শিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত করতে অনার্স পর্যন্ত তাদের শিক্ষা বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, নারীদের উচ্চশিক্ষার সব খরচ সরকার বহন করবে। একই সঙ্গে ভালো ফলাফল করা নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থাও করা হবে।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়িঘাট এলাকায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত, স্থানীয় জেলেদের মধ্যে পোনা বিতরণ ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই নারীদের শিক্ষার সুযোগ আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যখন দেশের দায়িত্বে ছিলেন, তখন নারীদের ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত শিক্ষা বিনামূল্যে করা হয়েছিল। বর্তমান সরকার নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা বিনামূল্যে করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর সব খরচ সরকার বহন করবে।

নারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করে নিজেদের যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে দেশের নেতৃত্ব দিতে পারে। ভালো ফলাফল করা মেয়েদের জন্য সরকারি উপবৃত্তির ব্যবস্থাও করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গ্রামের দরিদ্র পরিবারের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর স্কুল ড্রেস দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। পাশাপাশি প্রায় এক কোটি ২০ লাখ শিশুর হাতে স্কুল ব্যাগ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নতুন বইয়ের পাশাপাশি প্রতিবছর নতুন স্কুল ব্যাগ ও স্কুল ড্রেসও ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

নারীদের স্বাবলম্বী করার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে চায় সরকার। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, পরিবার পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা নারী পরিবারের প্রধানদের পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি ঘরে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement