অব্যবহৃত ছয় শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
Published : ০৩:৫৬, ১১ মে ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্মিত অব্যবহৃত ছয়টি শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন।
গত ১২ এপ্রিল একটি জাতীয় দৈনিকে ‘৩২০ কোটি টাকা খরচে ৬ শিশু হাসপাতালের ভবন পড়ে আছে’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। পরে তিনি স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রংপুর, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, এবং কুমিল্লা-এ আধুনিক শিশু হাসপাতালের ভবন নির্মাণ করা হলেও সেগুলো দীর্ঘদিন ধরে চালু হয়নি।
এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো.কামরুজ্জামান চৌধুরী সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন, অবিলম্বে হাসপাতালগুলো পরিদর্শন করে দ্রুত চালুর ব্যবস্থা নিতে। একই সঙ্গে আগামী ২ জুন ২০২৬ সালের মধ্যে এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বৈঠকে আরও আলোচনা হয়, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ বর্তমানে আংশিকভাবে চালু রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর নির্দেশ দেন।
এছাড়া রাজধানীর ঢাকার শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতাল দ্রুত চালুরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে নীলফামারীতে এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চীনা দূতাবাসকে সম্পৃক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
জানা গেছে, নীলফামারী সদর উপজেলায় হাসপাতালটি নির্মাণ করা হবে। এটি সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় আধুনিক মাধ্যমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার অংশ।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, উত্তরাঞ্চলে বিশেষ করে রংপুর বিভাগে প্রায় দুই কোটি মানুষের জন্য উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল নির্মিত হলে এটি একটি আঞ্চলিক রেফারেল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, উত্তরাঞ্চলে উন্নত চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণ বর্তমান সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত পদক্ষেপ।



































