ফাহিমা হত্যা: বাবাসহ ৫ জন গ্রেপ্তার
Published : ১৫:৩৭, ৯ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লার দেবিদ্বারে পাঁচ বছর বয়সী শিশু ফাহিমা আক্তার হত্যা মামলায় তার বাবা আমির হোসেনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। পরে তাদের দেবিদ্বার থানায় হস্তান্তর করা হলে নিহত শিশুটির মা হোছনা আক্তার বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দেবিদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হাসান জানান, বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার পাঁচজনকে কুমিল্লার ৪ নম্বর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে লাইলী বেগম ফাহিমা হত্যার দায় স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। অন্য চার আসামির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ফাহিমার বাবা ট্রাক্টরচালক মো. আমির হোসেন (২৫), মো. রেজাউল ইসলাম ইমন (২৪), লাইলী আক্তার (৩০), মো. রবিউল ইসলাম (১৯) এবং সিএনজি অটোরিকশাচালক সোহেল রানা (৩০)।
মামলার এজাহারে নিহত ফাহিমার মা হোছনা আক্তার অভিযোগ করেন, তার স্বামী আমির হোসেনের সঙ্গে প্রতিবেশী তিন সন্তানের জননী লাইলী বেগমের অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে ফাহিমা বিষয়টি দেখে ফেলে এবং মাকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে ঘটনা গোপন রাখতে তাকে হত্যা করা হয়।
পুলিশ ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ নভেম্বর ভোরে দেবিদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ ইউনিয়নের কাচিসাইর গ্রামের একটি সড়কের পাশের খালের কাছে বাজারের ব্যাগে মানুষের পা বের হয়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ সেখান থেকে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। পোশাক ও মাথার চুল দেখে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি ফাহিমার বলে শনাক্ত করেন।
কুমিল্লার দেবিদ্বারে পাঁচ বছর বয়সী শিশু ফাহিমা আক্তার হত্যা মামলায় তার বাবা আমির হোসেনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। পরে তাদের দেবিদ্বার থানায় হস্তান্তর করা হলে নিহত শিশুটির মা হোছনা আক্তার বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন।
মরদেহ উদ্ধারের পর ফাহিমার বাবা আমির হোসেন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে দেবিদ্বার থানায় হত্যা মামলা করেছিলেন। এরপর র্যাব-১১, পিবিআই ও দেবিদ্বার থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাটি তদন্ত শুরু করে।
দীর্ঘ তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের পর হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ফাহিমার বাবাসহ পাঁচজনকে আটক করে র্যাব। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের দাবি, ফাহিমাকে হত্যার ঘটনায় তার বাবা আমির হোসেন প্রথমে ছুরিকাঘাত করেন।

































