দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি শুরু মঙ্গলবার, বন্ধ থাকবে সরকারি অফিস

দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি শুরু মঙ্গলবার, বন্ধ থাকবে সরকারি অফিস ছবি: সংগৃহীত

বিজনেস ডেইলি ডেস্ক

Published : ১২:৪৪, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) থেকে শুরু হচ্ছে টানা পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি। আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত এ ছুটি চলবে। এ সময়ে সরকারি অফিসের পাশাপাশি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শেয়ারবাজার ও আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবায় নিয়োজিত কর্মীরা ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।

ছুটির আগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) ছিল সরকারি অফিসের শেষ কর্মদিবস। এদিন সকাল থেকে সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বাভাবিক উপস্থিতি দেখা গেছে। নিয়মিতভাবেই চলেছে দাপ্তরিক কার্যক্রম। সকাল ৯টায় সচিবালয়ে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে তিনি ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যান।

টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে সোমবার বিকেল থেকে রাজধানীর বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রীদের ভিড় বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। পূজার ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় অনেকেই আগেভাগে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ৭ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে। এর সঙ্গে ২৩ ও ২৪ অক্টোবরের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা পাঁচ দিনের অবকাশ পাচ্ছেন।

ছুটির সূচি অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারিত ছিল। ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি এবং ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়। ফলে পূজার ছুটির সঙ্গে শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে দীর্ঘ অবকাশের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এর আগে ৫ অক্টোবর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটির তারিখ পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। ওই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই ২২ অক্টোবর ছুটি ঘোষণার ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন যারা

বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর পরিচালনা, পরিচ্ছন্নতা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এসব কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।

হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের পাশাপাশি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরাও এ ছুটির বাইরে থাকবেন। জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলোর কার্যক্রমও প্রয়োজন অনুযায়ী চালু থাকবে।

ব্যাংক খোলা রাখা বা বন্ধের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে নির্দেশনা দেবে সুপ্রিম কোর্ট। অন্যদিকে, বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটির বিষয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শেয়ার করুনঃ
Advertisement