বাংলাদেশের গল্প ফ্রেমবন্দি করে সেরাদের পুরস্কৃত করল অপো

বাংলাদেশের গল্প ফ্রেমবন্দি করে সেরাদের পুরস্কৃত করল অপো

TheBusinessDaily

Published : ১৫:৫৪, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের সৌন্দর্য, বৈচিত্র্য ও জীবনের অসংখ্য গল্প ক্যামেরার ফ্রেমে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ‘অপো রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬’। পাঠশালার সঙ্গে অংশীদারিত্বে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় বিচারক প্যানেলের মূল্যায়ন শেষে গ্র্যান্ড, এলিট, মাস্টার ও পাঁচটি ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাণবন্ত ঐতিহ্য ও চিরন্তন সংস্কৃতি থেকে শুরু করে মনজুড়ানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ফসল ঘরে তোলার আনন্দ, মানুষের আবেগ, কোলাহলমুখর সড়কের অপ্রত্যাশিত মুহূর্ত কিংবা স্থাপত্যের নান্দনিকতা—বাংলাদেশের বহুমাত্রিক রূপ উঠে এসেছে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অসংখ্য ছবিতে। স্মার্টফোনের ক্যামেরায় ধারণ করা এসব ছবি প্রতিদিনের পরিচিত মুহূর্তকেই রূপ দিয়েছে অর্থবহ ও আকর্ষণীয় ভিজ্যুয়াল গল্পে।

বিচারক প্যানেল মূল্যায়ন করার পর মুহাম্মদ আমদাদ হোসেনকে গ্র্যান্ড উইনার ঘোষণা করা হয়েছে। পুরস্কার হিসেবে তিনি পেয়েছেন ১,০০,০০০ টাকা নগদ, একটি অপো রেনো১৫ এফ এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। এলিট উইনার মো. এনামুল কবির পেয়েছেন ৫০,০০০ টাকা নগদ, একটি অপো এ৬এস প্রো এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। মাস্টার উইনার সৌম্যেন রেজাউল পেয়েছেন ৩০,০০০ টাকা নগদ, একটি অপো এ৬এস প্রো এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স।

এছাড়াও, পাঁচটি ক্যাটাগরিতে অসাধারণ প্রতিভাবান ফটোগ্রাফারদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার ক্যাটাগরিতে মো. রকিবুল হাসান, লো লাইট ক্যাটাগরিতে আশরাফুল সরকার কিবরিয়া, নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ ক্যাটাগরিতে সালাহউদ্দিন আহমেদ, পোর্ট্রেট ক্যাটাগরিতে মো. হারুনর রশিদ এবং স্ট্রিট অ্যান্ড আর্কিটেকচার ক্যাটাগরিতে সিরাজাম মনির বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিটি ক্যাটাগরি উইনার পেয়েছেন ২০,০০০ টাকা নগদ, একটি অপো এ৬ এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। পাশাপাশি, আতিকুর রহমান অনারেবল মেনশন পুরস্কার পেয়েছেন, যার সাথে রয়েছে ১০,০০০ টাকা নগদ ও পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স।

এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, “বাংলাদেশ গল্প, অনুভূতি, ঐতিহ্য ও অসাধারণ সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ একটি দেশ। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশি ফটোগ্রাফারদের চোখ দিয়ে এই মুহূর্তগুলো দেখতে চেয়েছিলাম। আমরা অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত যে, পাঠশালার সাথে আমাদের এই অংশীদারিত্ব ফটোগ্রাফারদের দৃষ্টিভঙ্গি নিপুণভাবে তুলে ধরবে; এবং একইসাথে, অন্যদের প্রতিদিনের জীবনের অসাধারণ সৌন্দর্য ধারণ করার ক্ষেত্রে একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলবে।”

শেয়ার করুনঃ
Advertisement