নুসরাত হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন, ১০ জন খালাস
Published : ১৫:৫১, ২৪ আগস্ট ২০২৬
ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একই রায়ে চার আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং অপর ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
সোমবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ অগ্রাধিকারভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও জেল আপিলের শুনানি শেষে এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলেন সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীম।
যাদের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তারা হলেন মাদ্রাসাছাত্র নুর উদ্দিন, সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের এবং উম্মে সুলতানা পপি।
খালাস পাওয়া ১০ আসামি হলেন সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি রুহুল আমিন, সোনাগাজী পৌরসভার তৎকালীন কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ আবদুল কাদের, প্রভাষক আফসার উদ্দিন, কামরুন নাহার মণি, আবদুর রহিম শরিফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন মামুন, মোহাম্মদ শামীম এবং মহি উদ্দিন শাকিল।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির। আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, এস এম শাহজালাল, এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, মোহাম্মদ শিশির মনিরসহ অন্য আইনজীবীরা।
২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এ মামলায় ১৬ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে ডেথ রেফারেন্স অনুমোদন ও আপিল শুনানির জন্য মামলাটি হাইকোর্টে আসে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীন ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিকারভিত্তিতে শুনতে গত ১০ জুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেন। ওই বেঞ্চেই নুসরাত হত্যা মামলার শুনানি ও রায় হয়।


































