বাণিজ্যিক কোচিং কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হতে পারবেন না বিচারকরা
Published : ১২:৩০, ২৫ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত সরাসরি কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কোচিং কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন না। এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্র জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানিয়েছে, বিচার বিভাগের সদস্যদের পেশাগত শৃঙ্খলা, নিরপেক্ষতা ও মর্যাদা বজায় রাখা এবং বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা অক্ষুণ্ণ রাখার লক্ষ্যে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, কোনো বিচারক বা বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্য বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত সরাসরি বা অনলাইন কোচিং কার্যক্রমে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত হতে পারবেন না।
নাম-পরিচয় ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো সদস্য বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে তার নাম, পদবি, ছবি বা পরিচয় কোচিং-সংক্রান্ত প্রচার-প্রচারণায় সরাসরি কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করতে দিতে পারবেন না। এ ধরনের ব্যবহার অনুমোদনেরও সুযোগ নেই।
এ ছাড়া বিচারিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে পাওয়া কোনো গোপনীয়, অপ্রকাশিত বা দাপ্তরিক তথ্য কোচিং কার্যক্রমে প্রকাশ, সরবরাহ বা ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
কোচিংয়ের শিক্ষা উপকরণও তৈরি করা যাবে না
পরিপত্র অনুযায়ী, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের কোনো সদস্য বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত সরাসরি বা ডিজিটাল কোচিং কার্যক্রমের জন্য শিক্ষা উপকরণ প্রস্তুত, সম্পাদনা, প্রকাশ বা সরবরাহ করতে পারবেন না।
সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন বলেছে, এসব বিধিনিষেধের উদ্দেশ্য হলো বিচারকদের পেশাগত নিরপেক্ষতা ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা এবং বিচার বিভাগের প্রতি জনসাধারণের আস্থা বজায় রাখা।
লঙ্ঘনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
পরিপত্রের কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট বিচারকের বিরুদ্ধে প্রচলিত শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত আইন ও বিধি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

































