সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
Published : ১৭:৫৩, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলা, সততা, বিশ্বস্ততা, আনুগত্য এবং নিয়োগগত উপযুক্ততাকে প্রধান বিবেচনায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
রোববার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি দুই বাহিনীর প্রধানসহ সব সদস্যকে তাদের ত্যাগ ও অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করেন। তিনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নিহত ও আহতদের অবদানের কথাও উল্লেখ করেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (এডিএসআই)-এর উদ্বোধনী স্মারক ফলক উন্মোচন করেন এবং এর কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।
তিনি এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার এবং এ্যারোস্পেস রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্সও পরিদর্শন করেন। সেখানে বিমান বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় তৈরি ড্রোন, কামিকাজি ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন ও ভিটিওএলসহ বিভিন্ন আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল প্রদর্শন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা তৈরির উদ্যোগ বিমান বাহিনীর গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান, বিমান বাহিনী প্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।































