রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যানের মা ফরিদা বেগমের দাফন সম্পন্ন, সর্বস্তরে শোক
Published : ০২:৫৭, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুলের মা ফরিদা বেগম আর নেই। শনিবার রাতে রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবনে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
রোববার বাদ জোহর রাজধানীর গুলশান আজাদ মসজিদে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বনানী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
ফরিদা বেগম চার ছেলে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জানাজার আগে মায়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল। তিনি বলেন, কর্মজীবন বা অবস্থান যেখানেই থাকুক, প্রতিদিন মায়ের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করতেন। মায়ের স্নেহ ও ভালোবাসার বিভিন্ন স্মৃতি স্মরণ করে তিনি বলেন, মাকে হারানোর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
তিনি উপস্থিত মুসল্লিদের কাছে তাঁর মায়ের জন্য দোয়া কামনা করেন। তাঁর কোনো কথা বা আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তাঁকে ক্ষমা করে দেওয়ার জন্যও অনুরোধ জানান।
লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল জানান, তাঁর মা হজ ও ওমরাহ পালন করেছেন। তিনি তাঁর মায়ের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে জান্নাতুল ফেরদৌসের জন্য দোয়া চান।
মায়ের স্মৃতিচারণে তিনি পরিবারের প্রতি তাঁর মায়ের অবদান এবং চার ভাইকে একসঙ্গে রেখে পরিবারের বন্ধন অটুট রাখার ভূমিকার কথাও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
জানাজায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মরহুমার দৌহিত্র, রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান ও দেশ রূপান্তরের প্রকাশক মাহির আলী খাঁন রাতুল, মরহুমার ছেলে ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আলী আকবর খাঁন রতন এবং দৌহিত্র ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাইফ আলী খাঁন অতুলসহ পরিবারের সদস্যরা।
ফরিদা বেগমের মৃত্যুতে রূপায়ণ গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট মহলে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, গণমাধ্যম ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
জানাজায় দৈনিক আগামীর সময়ের সম্পাদক মোস্তফা মামুন, রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক, স্থপতি রফিক আজম, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, অভিনেতা নাদের চৌধুরী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলামসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
এ ছাড়া রূপায়ণ গ্রুপের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং সর্বস্তরের মানুষ জানাজায় উপস্থিত হয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

































