ই-ভ্যাটে হার্ড কপি রিটার্ন অন্তর্ভুক্তির সময়সীমা ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়াল এনবিআর
Published : ০০:১২, ৮ জুন ২০২৬
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্বে দাখিল করা কাগজভিত্তিক (হার্ড কপি) ভ্যাট রিটার্ন ইলেকট্রনিক ভ্যাট (ই-ভ্যাট) সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করার সময়সীমা আগামী ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানায়, আগামী জুলাই মাস থেকে অনলাইনভিত্তিক ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় তথ্য হালনাগাদের সুযোগ দিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এনবিআর জানিয়েছে, পূর্বে হার্ড কপিতে জমা দেওয়া মাসিক ভ্যাট রিটার্নগুলো ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অন্তর্ভুক্ত করার সুবিধার্থে ই-ভ্যাট ব্যবস্থায় ‘হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি’ নামে একটি নতুন সাব-মডিউল সংযোজন করা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি একটি পরিপত্র জারি করা হয় এবং সব কাগজভিত্তিক রিটার্ন অনলাইনে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রথমে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তবে ই-ভ্যাট প্ল্যাটফর্মের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তাদের পূর্ববর্তী রিটার্নগুলো অনলাইন সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করেনি। এ কারণে সময়সীমা আরও তিন মাস বাড়ানো হয়েছে।
রাজস্ব বোর্ড সতর্ক করে বলেছে, নির্ধারিত নতুন সময়সীমার মধ্যে যারা তাদের হার্ড কপি রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি করতে ব্যর্থ হবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এক্ষেত্রে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সমাপনী স্থিতি (ক্লোজিং ব্যালেন্স) স্থগিত বা ফ্রিজ করে দেওয়া হবে। ফলে ভবিষ্যতে ওই স্থিতির বিপরীতে কোনো ধরনের সমন্বয় সুবিধা পাওয়া যাবে না।
এনবিআর আরও জানিয়েছে, ভ্যাট রিফান্ডের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট সব ভ্যাট রিটার্ন অনলাইন সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত থাকা বাধ্যতামূলক। ফলে যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের পূর্ববর্তী রিটার্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আপলোড করবে না, তারা ভ্যাট ফেরতের আবেদন করার সুযোগ হারাবে।
রাজস্ব প্রশাসনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল রূপান্তর নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ী ও করদাতাদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।


































