মির্জা ফখরুলকে সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
Published : ১৬:০১, ২০ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা ১০ মিনিটের দিকে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে নিজের আসন থেকে উঠে মির্জা ফখরুলকে সঙ্গে নিয়ে ভোটকেন্দ্রের দিকে যান প্রধানমন্ত্রী। এক মিনিট পর, অর্থাৎ দুপুর ২টা ১১ মিনিটে ব্যালট পেপার ভোট বাক্সে দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী ভোট দেওয়ার সময় সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান। এরপর রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও ভোট দেন।
ভোট দেওয়ার পর মির্জা ফখরুল সংসদ সদস্যদের সঙ্গে করমর্দন করেন। পরে তিনি বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এর আগে দুপুর ২টায় শুরু হয় ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। ভোট চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রধান নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার নিয়ম জানিয়ে দেওয়ার পর ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
প্রথমে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এবং জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভোট দেন। পরে তারা সংসদ সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুলের সঙ্গেও করমর্দন করেন। প্রায় আট মিনিট সংসদ কক্ষে অবস্থানের পর তিনি কক্ষ ত্যাগ করেন।
দুপুর ২টা ১২ মিনিটে ভোট দেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এরপর সংসদ সদস্যরা একে একে ভোট দিতে থাকেন।
রাষ্ট্রপতি পদে দুই প্রার্থী
এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুই প্রার্থী। তারা হলেন বিএনপি মনোনীত দলটির সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য।
এর আগে সর্বশেষ ১৯৯১ সালে সংসদ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আব্দুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদরুদ্দোজা হায়দার চৌধুরীকে পরাজিত করেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী পেয়েছিলেন ৯২ ভোট। নির্বাচনের পর আব্দুর রহমান বিশ্বাস বাংলাদেশের ১১তম রাষ্ট্রপতি হন।

































